বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

জনসন-ওয়ার্নার দ্বন্দ্বে মজা নিচ্ছে বৃটিশরা

ডেভিড ওয়ার্নারকে কেন টেস্ট ক্রিকেট থেকে ঘটা করে বিদায় দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলো, তা নিয়ে সমালোচনা করেন জনসন। ওয়েস্ট অস্ট্রেলিয়ান পত্রিকায় নিজের লেখা এক কলামে টেস্টে ওয়ার্নারের ফর্মহীনতা ও ২০১৮ সালে কেপটাউন টেস্টে ‘স্যান্ডপেপার-কেলেঙ্কারি’তে অস্ট্রেলীয় ওপেনারের ভূমিকার কথা মনে করিয়ে দেন। প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলির সঙ্গে খেলোয়াড়দের ঘনিষ্ঠতা নিয়েও সমালোচনা করেন জনসন।

ওই কলাম লেখার পর বেইলি জনসনের সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ওয়ার্নার অবশ্য এখনো প্রকাশ্যে কিছু বলেননি এ বিষয়ে। তবে ওয়ার্নারের সতীর্থ উসমান খাজা সমালোচনা করেছেন জনসনের। আর দুই ক্রিকেটারের এমন কাণ্ডে মজা নিচ্ছে বৃটিশরা।
মাঠের লড়াইয়ে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার লড়াই থাকে চরমে। এখনও সাবেকরা একে-অন্যের দিকে কাঁদা ছোড়াছুড়ি করেন। সবশেষ অ্যাশেজ সিরিজে এমসিসির সদস্যরা ওয়ার্নারের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছে হয়েছেন নিষিদ্ধ। তাছাড়া ২০১০ সালে অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পর ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন অসিদের ‘গর্দভ’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

আর জনসন-ওয়ার্নারের দ্বন্দ্ব তো গৃহযুদ্ধের পর্যায়ে। এমন দৃশ্য দেখলে কি আর ইংরেজরা চুপ করে বসে থাকতে পারে! বিদ্রুপের মন্তব্য যাতে কাটার মতো বিধে, সেভাবেই ছুঁড়বে। ঠিক এই কাজটাই করেছেন বৃটিশ ক্রীড়া সাংবাদিক অ্যালান টায়ার্স। তিনি এই দ্বন্দ্বকে সার্কাস বলে মন্তব্য করেছেন।

সিডনি মর্নিং হেরাল্ডে লেখা একটি কলামে তিনি লিখেছেন, ‘জনসন ও ওয়ার্নারের গৃহযুদ্ধ দেখে মনে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার ড্রেসিং রুমে এখনও মানসিক অস্থিরতা থেকে গেছে। যাদের বসবাস ক্রিকেটের সঙ্গে তারা এর থেকে বিনোদন নিচ্ছেন। এই সার্কাস অব্যাহত থাকুক এমনটাই তাদের প্রত্যাশা।’

এদিকে কি কারণে এমনটি লিখেছেন জনসন, তা নিজেই খোলাসা করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৭৩টি টেস্ট খেলা বাঁহাতি ফাস্ট বোলার জনসন আজ পডকাস্টে বলেন, ‘ওই ঘটনার পর আমি ডেভের (ওয়ার্নার) কাছ থেকে বার্তা পেলাম, খুবই ব্যক্তিগত (আক্রমণ) ছিল সেটি। আমি তখন ওকে ফোনে ধরার চেষ্টা করলাম, চেষ্টা করলাম কথা বলতে। আমি সব সময়ই যেকোনো কিছু নিয়ে কথা বলতে রাজি আছি। খেলা ছাড়ার পরও ওদের (সতীর্থ) সঙ্গে সব সময়ই কথা বলেছি। আমি বলেছি, সংবাদমাধ্যমে আমার লেখা ও কথা যদি কারও ভালো না লাগে, আমার সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলতে।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com